
।। মমতাজ উদ্দিন আহমদ ।।
“চারিদিকে ঘেরা অজস্র বিটপী কান্তারে শৈল সারি;
দাঁড়িয়ে রয়েছে যেন অতন্দ্র প্রহরী,
তারিই মাঝে নয়নাভিরাম মনোহারি―
পূণ্য ভূমি ‘আলীকদম’ গিরির স্বপ্নপুরী।”
অন্তর্বিহীন মৌন নিস্তব্ধতা আর দিগন্ত বিস্তৃত গ্রন্থিল পাহাড়িকার মায়াবী আবহে ঘেরা এক জনপদ আলীকদম। সবুজাভ অরণ্যঘেরা পার্বত্য জেলা বান্দরবানের এক নিভৃত ও মায়াবী এই জনপদ। স্বাধীন সার্বভৌম বাংলাদেশের মানচিত্রে এটি কেবল একটি উপজেলার নাম নয়, বরং প্রকৃতির নিজ হাতে আঁকা এক অনন্য আল্পনা।
স্মৃতির ধূসর পাতা উল্টালে দেখা যায়, এই পার্বত্য জনপদ গিরিনন্দিনীর নামকরণ ও ইতিহাসের সূচনা হয় ১৬৬১ খ্রিস্টাব্দের এক বিষাদময় প্রেক্ষাপটে। ১৬৬১ সালের ৭ ফেব্রুয়ারি আরাকানে সস্ত্রীক শাহ সুজার হত্যাকাণ্ডের পর মোগল ও আরাকান বাহিনীর মধ্যে যে সংঘাতময় পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়, তারই পথ ধরে মোগল বাহিনীর একটি অংশ রামু থেকে তৎকালীন গহীন অরণ্য আলীকদমে আশ্রয় নেয়। এই মোগল যোদ্ধাদের পদচারণাতেই এ জনপদের নামকরণ ও আধুনিক ইতিহাসের জয়যাত্রা শুরু হয়।
প্রশাসনিক বিবর্তন ও সীমানার বিস্তৃতি:
আলীকদমের প্রশাসনিক ইতিহাসের এক গুরুত্বপূর্ণ বাঁক ১৯৬৫ খ্রিস্টাব্দ। সে সময় পার্বত্য লামা-আলীকদম এলাকায় ‘গজালিয়া’ ও ‘আলীকদম’ নামে দুটি ইউনিয়ন কাউন্সিল সৃষ্টি হয়। তৎকালীন আলীকদম ইউনিয়নের সীমানা ছিল বিস্ময়করভাবে বিশাল। বর্তমান পুরো আলীকদম উপজেলা তো বটেই, উত্তরে লামার গজালিয়া এবং পশ্চিমে ফাঁসিয়াখালী ইউনিয়ন পর্যন্ত বিস্তৃত ছিল এই জনপদ। পরবর্তীতে ১৯৬৬ সালে (মতান্তরে এর পরবর্তী সময়ে প্রশাসনিক পুনর্বিন্যাসে) আলীকদম থেকে বিভক্ত হয়ে লামা ইউনিয়নের যাত্রা শুরু হয়।
স্বাধীনতার পরবর্তী সময়ে, ১৯৮১ সালের দিকে তৎকালীন রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান আলীকদম সফরে এসে এই এলাকাকে ‘প্রশাসনিক থানা’ করার পরিকল্পনা গ্রহণ করেন। সেই ধারাবাহিকতায় ১৯৮২ সালের ৭ নভেম্বর ‘প্রশাসন বিকেন্দ্রীকরণ কর্মসূচি’র আওতায় ৮৮৫.৮৫ বর্গকিলোমিটার আয়তন নিয়ে আলীকদম একটি প্রথম শ্রেণীর মানউন্নীত থানা হিসেবে গঠিত হয়। প্রশাসনিক নিয়মেই কালক্রমে এই থানাটি একটি আদর্শ উপজেলায় রূপান্তরিত হয়।
প্রাকৃতিক অবয়ব ও অবস্থান:
পার্বত্য বান্দরবানের এই সুরম্য অঞ্চলটি যেন প্রকৃতির এক শ্যামল আঙ্গিনা। আলীকদমের বুক চিরে সর্পিল গতিতে বয়ে চলা খরস্রোতা মাতামুহুরী নদী এই নিসর্গে যোগ করেছে এক ভিন্নতর প্রাণভোমরা। মাতামুহুরীকে হৃদয়ে ধারণ করে চারপাশের পর্বতরাজি পূর্ব-দক্ষিণ মুখে দাঁড়িয়ে যেন অতন্দ্র প্রহরীর ভূমিকা পালন করছে। আরাকান অদ্রিমালা থেকে জন্ম নেওয়া এই নদী উত্তর-পশ্চিমের বাঁক পেরিয়ে মিশেছে বঙ্গোপসাগরের নীল জলরাশিতে।
প্রায় ৮৮৯.৭৯ বর্গকিলোমিটার আয়তনের এই জনপদ ভৌগোলিক বৈশিষ্ট্যেও বৈচিত্র্যময়। এর উত্তরে লামা, দক্ষিণে মায়ানমারের সীমান্ত পর্বতমালা, পূর্বে মেঘমুলুক থানচি এবং পশ্চিমে চিরযৌবনা নাইক্ষ্যংছড়ি। অন্যান্য পার্বত্য এলাকার তুলনায় আলীকদমের প্রশাসনিক কেন্দ্রটি বেশ সমতল হলেও এর চারপাশের পাহাড়ী উপত্যকাগুলো নিবিড় ও রহস্যময়।
আলীকদম কেবল একটি ভূখণ্ড নয়, এটি ইতিহাসের সাক্ষী আর প্রকৃতির এক অমলিন ভালোবাসার নাম―যা কালের দর্পণে চিরকাল অম্লান হয়ে থাকবে।
নামকরণ নিয়ে যত কথা:
নামকরণের গভীরে লুকিয়ে আছে মোগল সাম্রাজ্যের উত্থান-পতন এবং আঞ্চলিক ইতিহাসের রোমাঞ্চকর সব অধ্যায়। আলীকদমের নামকরণ নিয়ে ইতিহাসের পাতায় একাধিক মত থাকলেও, ১৬৬০-১৬৬১ খ্রিস্টাব্দের মোগল ইতিহাসের পটভূমিই সবচেয়ে নির্ভরযোগ্য ও যুক্তিযুক্ত বলে গণ্য হয়।
১. মোগল ইতিহাসের প্রেক্ষাপট ও আলীকদমের গোড়াপত্তন
আলীকদমের নামকরণের রহস্য উন্মোচনে আমাদের ফিরে যেতে হবে সম্রাট শাহজাহানের অসুস্থতা পরবর্তী ভ্রাতৃঘাতী যুদ্ধের ইতিহাসে। ১৬৫৯ সালে আওরঙ্গজেবের প্রধান সেনাপতি মীর জুমলার কাছে পরাজিত হয়ে বাংলার সুবেদার শাহ সুজা আরাকানে আশ্রয়ের উদ্দেশ্যে যাত্রা করেন। ১৬৬০ সালের ৩ জুন তিনি ফেনী নদী অতিক্রম করে আরাকান রাজ্যে প্রবেশ করেন। তাঁর সাথে ছিলেন সেনাপতি ফতে খাঁ, শেরমস্ত খাঁসহ ১৮ জন বিশ্বস্ত সেনাপতি এবং এক বিশাল মোগল বাহিনী।
চট্টগ্রামের আনোয়ারা থেকে কক্সবাজারের রামু হয়ে শাহ সুজা যখন নাফ নদীর তীরে উপস্থিত হন, তখন আরাকান রাজা শ্রীচন্দ্রসুধর্মার শর্তানুযায়ী তিনি নিরস্ত্র অবস্থায় আরাকানের রাজধানী ম্রোহং-এ প্রবেশ করেন। তবে সেনাপতি ফতে খাঁর নেতৃত্বে মোগল বাহিনীর একটি শক্তিশালী অংশ কক্সবাজারের রামুতে দুর্গ স্থাপন করে অবস্থান নেয়। ১৬৬১ সালের ৭ ফেব্রুয়ারি আরাকান রাজার নিষ্ঠুর ষড়যন্ত্রে শাহ সুজার করুণ মৃত্যুর পর, রামুতে অবস্থানরত মোগল যোদ্ধারা জীবন বাঁচাতে গভীর অরণ্যের দিকে পাড়ি জমান। রামু থেকে প্রায় ৬০ মাইল পূর্বে মাতামুহুরী উপত্যকার দুর্গম অরণ্যে তারা নতুন আস্তানা ও দুর্গ গড়ে তোলেন।
নামকরণের মূল সূত্র: এই ইরান বংশোদ্ভূত শিয়া মতাবলম্বী মোগল যোদ্ধারা ছিলেন ইসলামের চতুর্থ খলিফা হযরত আলী (রা.)-এর একনিষ্ঠ অনুসারী। ধারণা করা হয়, জনমানবহীন এই গহীন অরণ্যে নিজেদের অস্তিত্বের জানান দিতে এবং ধর্মীয় আবেগ থেকে তারা এই জনপদের নাম রাখেন ‘আলীকদম’। ঐতিহাসিক কালানুক্রম অনুযায়ী, ১৬৬১ সালের মাঝামাঝি সময়েই এই নামকরণের চূড়ান্ত রূপ লাভ করে।
২. ভৌগোলিক ও ভাষাগত বিবর্তন: ‘আলীর পাহাড়’ ও ‘আলোহক্যডং’
আলীকদম সদরে মাতামুহুরী ও তৈনখালের মোহনায় অবস্থিত ‘আলীর পাহাড়’ এই নামকরণের স্বপক্ষে একটি বলিষ্ঠ প্রমাণ। পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক গবেষক আতিকুর রহমানের মতে, ‘আলীর পাহাড়’ মুসলিম ঐতিহ্যের এক সুপ্রাচীন স্মারক। ভাষাগত বিবর্তনে আরাকানী বা মার্মা ভাষায় ‘দং’, ডং বা ‘থং’ শব্দের অর্থ পাহাড়। ফলে ‘আলীর পাহাড়’ মঘী উচ্চারণে ‘আলেহ্ডং’ বা ‘আলেহক্যডং’ হিসেবে পরিচিতি পায়, যা মূলত ‘আলীকদম’ শব্দেরই মগী বা আঞ্চলিক রূপান্তর।
৩. পর্তুগীজ মানচিত্র ও প্রাচীন দলিলাদি
১৫৫০ সালে পর্তুগীজ পণ্ডিত জোয়াও জে বারোজের অঙ্কিত মানচিত্রে এই এলাকাকে ‘লোভাস ডোকাম’ (Lovas Docam) হিসেবে অভিহিত করা হয়েছে। অনেক ইতিহাসবিদ মনে করেন, এটি ‘আলীকদম’ শব্দেরই পর্তুগীজ অপভ্রংশ। এছাড়া ১৮ জন আরাকানী রাজা (১৪৩০-১৫৩০ খ্রি.) যারা মুসলিম উপাধি গ্রহণ করেছিলেন (যেমন: আলী খাঁ বা আলী শাহ), তাঁদের কোনো একজনের প্রশাসনিক প্রভাব থেকেও এই নামটির উৎপত্তি ঘটা অসম্ভব নয়।
৪. ব্রিটিশ ক্যাপ্টেন টি. এইচ. লুইন-এর মতবাদ
পার্বত্য চট্টগ্রামের প্রথম জেলা প্রশাসক ক্যাপ্টেন টি. এইচ. লুইন একটি ভিন্ন মত পোষণ করেছেন। তাঁর মতে, শব্দটি এসেছে ‘Alley Kingdom’ থেকে। তাঁর ধারণা অনুযায়ী, ‘Alley’ অর্থ দমন এবং ‘Kingdom’ অর্থ রাজ্য। মোগল আমলে সম্রাট শায়েস্তা খাঁর বাহিনী কর্তৃক এই অঞ্চলের ক্ষুদ্র এক রাজ্যশক্তিকে (সম্ভবত রাজা তৈন সুরেশ্বরীর রাজ্য) দমন করার প্রেক্ষিতে ব্রিটিশরা একে ‘Alley Kingdom’ বা দমিত রাজ্য বলতে শুরু করে, যা পরে ‘আলীকদম’ নামে স্থায়িত্ব পায়।
৫. আধ্যাত্মিক ও মরমী প্রেক্ষাপট
লোকশ্রুত আছে যে, ৩৬০ আউলিয়ার কোনো এক কাফেলা বা কোনো প্রভাবশালী সাধক ‘আলী’ এই অঞ্চলে পদার্পণ করেছিলেন এবং তাঁর ‘কদম’ বা পদধূলিতে ধন্য হয়েই এলাকাটির নাম হয়েছে ‘আলীকদম’। যদিও হযরত আলী (রা.)-এর সরাসরি আগমনের দাবিটি ঐতিহাসিকভাবে সমর্থিত নয়, তবে সুফি-সাধকদের আগমনের বিষয়টি উড়িয়ে দেওয়া যায় না।
সার্বিক পর্যালোচনায় এটি স্পষ্ট যে, আলীকদম নামকরণের শেকড় মোগল ইতিহাসের সাথে গভীরভাবে প্রোথিত। শাহ সুজার সহযোদ্ধা মোগল সৈন্যদের আশ্রয়স্থল এবং তাঁদের ধর্মীয় ও সাংস্কৃতিক চেতনার প্রতিফলনই আজকের এই ‘আলীকদম’। পার্বত্য চট্টগ্রামের ২৫টি উপজেলার মধ্যে আরবী ও মুসলিম ঐতিহ্যমণ্ডিত এই নামটি আজও এক বৈচিত্র্যময় ইতিহাসের সাক্ষী হয়ে দাঁড়িয়ে আছে।
ইতিহাসের কত কথা:
আলীকদমের প্রত্নতাত্ত্বিক নিশান ও জনবসতির ইতিবৃত্ত ঘেঁটে বুঝা যায় এই পার্বত্য জনপদের ইতিহাস সুপ্রাচীন। বর্তমান আলীকদম একটি প্রশাসনিক ভূখণ্ড নয়, বরং এটি ইতিহাসের এক জীবন্ত সংগ্রহশালা। মাতামুহুরী উপত্যকার এই প্রাচীন জনপদে লুকিয়ে আছে হাজার বছরের বিবর্তন, যুদ্ধ এবং সংমিশ্রণের ইতিহাস।
১. প্রত্নতাত্ত্বিক নিদর্শন: আলীর পাহাড় ও প্রাচীন ইটভাটা
উপজেলা সদর থেকে মাত্র ২-৩ কিলোমিটার দক্ষিণ-পূর্বে অবস্থিত ‘আলীর পাহাড়’ এই জনপদের প্রাচীনত্বের সাক্ষ্য বহন করে। এই পাহাড়ে খোদাইকৃত ৩-৪টি রহস্যময় সুড়ঙ্গ প্রমাণ করে যে, অতি প্রাচীনকালেই এখানে উন্নত ও কৌশলগত জনবসতি বিদ্যমান ছিল।
পাহাড়ের পাদদেশ ঘেঁষে নয়াপাড়া এলাকায় প্রাচীন ইটভাটার ধ্বংসাবশেষ এবং মাটির নিচে চাপা পড়া প্রাচীন ইটগুলো ইঙ্গিত দেয় যে, মাতামুহুরী নদীর কূল ঘেঁষেই গড়ে উঠেছিল প্রাচীন নির্মাণশৈলী। প্রতিরক্ষা বা আশ্রয়ের প্রয়োজনে এই সুড়ঙ্গ এবং অট্টালিকা নির্মাণের জন্য নয়াপাড়া এলাকাতেই ইট পোড়ানো হতো বলে ধারণা করা যায়।
২. তৈন রাজ্যের উত্থান ও পতন (১৭১১-১৭২৪ খ্রি.)
ইতিহাসবিদ অধ্যাপক আলমগীর মোহাম্মদ সিরাজউদ্দিনের ‘রাজাজ অব দি চিটাগাং হিলট্রাক্টস্’ গ্রন্থের তথ্যমতে, ১৭১১ খ্রিস্টাব্দে চন্দন খাঁ ওরফে তৈন খাঁ মাতামুহুরী সীমান্তে একটি স্বাধীনচেতা উপজাতীয় রাজ্য প্রতিষ্ঠা করেন। তিনি আরাকান রাজের অনুগত সামন্ত হলেও তাঁর বংশধররা পরবর্তীকালে মোগলদের সঙ্গে রাজনৈতিক সম্পর্কে জড়ান।
তৈন খাঁর চতুর্থ পুরুষ জালাল খাঁ মোগলদের আনুগত্য স্বীকার করে খাজনা দিতে সম্মত হলেও ১৭২৪ খ্রিস্টাব্দে তিনি মোগল শাসনের বিরুদ্ধে বিদ্রোহ ঘোষণা করেন। দোহাজারী ঘাঁটির মোগল ফৌজদার কৃষাণ চাঁদ এই বিদ্রোহ দমনে অভিযান চালালে জালাল খাঁর বাহিনী পর্যুদস্ত হয় এবং তারা পুনরায় আরাকানে বিতাড়িত হন। এই সংঘাত আলীকদমের ভূ-রাজনৈতিক ইতিহাসে এক গুরুত্বপূর্ণ মোড়।
৩. জাতিগত বৈচিত্র্য: আগমন ও বসতি স্থাপনের ইতিহাস
আলীকদমের লোকজ ইতিহাস অনেক ক্ষেত্রে রূপকথা ও কিংবদন্তির আড়ালে ঢাকা পড়লেও বিভিন্ন নৃ-গোষ্ঠীর আগমনের ধারাটি নিম্নরূপ:
অজস্র চড়াই-উতরাই পেরিয়ে আলীকদম আজ স্বাধীন বাংলাদেশের একটি উদীয়মান উপজেলা। সম্ভাবনা থাকা সত্ত্বেও দীর্ঘদিনের প্রশাসনিক ও রাজনৈতিক পৃষ্ঠপোষকতার অভাবে অনেক ঐতিহাসিক সত্য ও উন্নয়নের সম্ভাবনা হীনম্মন্যতার অন্ধকারে নিমজ্জিত। তবে বর্তমান প্রজন্মের সচেতনতা এবং ঐতিহাসিক তথ্যের নির্মোহ বিশ্লেষণের মাধ্যমে আলীকদম নতুন আলোর উদ্ভাসিত হবে―এটাই সর্বজনীন প্রত্যাশা।
তথ্যসূত্র:
১। জামাল উদ্দিন, পার্বত্য চট্টগ্রামের ইতিহাস, একুশের গ্রন্থমেলা ২০১৯।
২। ড. আহমদ শরীফ, বাঙ্গালী ও বাংলা সাহিত্য (২য় খন্ড) [১৯৮৩]।
৩। পিয়ের ব্যাসনেত, পার্বত্য চট্টগ্রামের উপজাতি (বঙ্গানুবাদ), পৃ.- ১১০।
৪। চৌধুরী পূর্ণচন্দ্র দেববর্ম্মা, চট্টগ্রামের ইতিহাস, ভূমিকা, পৃ.-৭।
৫। জামাল উদ্দিন, পার্বত্য চট্টগ্রামের ইতিহাস, একুশের গ্রন্থমেলা ২০১৯।
৬। প্রাগুপ্ত।
৭। মমতাজ উদ্দিন আহমদ, প্রেক্ষণ: পার্বত্য চট্টপগ্রাম গিরিনন্দনী আলীকদম, পৃ.-১৭, একুশে বইমেলা- ২০০৮।
৮। আতিকুর রহমান, অনুসন্ধান: আলীকদম ও তৈনছড়ি-৩, ২৮ নভেম্বর ১৯৯৯, দৈনিক গিরিদর্পণ।
৯। প্রাগুপ্ত।
১০। মমতাজ উদ্দিন আহমদ, প্রেক্ষণ: পার্বত্য চট্টপগ্রাম গিরিনন্দনী আলীকদম, একুশে বইমেলা ২০০৮।
১১। প্রাগুপ্ত।
১২। আতিকুর রহমান, অনুসন্ধান: আলীকদম ও তৈনছড়ি-৬, ১৩ ডিসেম্বর ১৯৯৯, দৈনিক গিরিদর্পণ।
১৩. ড. মোহাম্মদ হান্নান, প্রাচীন বাংলায় মুসলিম আগমন (১ম খন্ড), বইমেলা ২০১৯।
১৪. অধ্যাপক আলমগীর মোহাম্মদ সিরাজউদ্দিন, রাজাজ অব দি চিটাগাং হিলট্রাক্টস্।
১৫. শ্রী উচ্চতমণি তঞ্চঙ্গা, গণপদচারণে আলীকদম।
১৬. লামা-আলীকদম প্রেস ক্লাব প্রকাশিত ‘মাতামুহুরী’ (১ম সংখ্যা)।
লেখক: সভাপতি, আলীকদম প্রেসক্লাব, বান্দরবান পার্বত্য জেলা।
মোবাইল: 01556-560126 / 01645-950296
ইমেইল: momtaj.news@gmail.com
তারিখ: 14/05/2026 খিষ্টাব্দ।
আপনার মতামত লিখুন :