আলীকদম শিক্ষা অফিসের ইউডিএ’র বিরুদ্ধে উচ্চ পর্যায়ের তদন্ত অনুষ্ঠিত


Momtaj Uddin Ahamad প্রকাশের সময় : মার্চ ৫, ২০২৩, ১১:০৯ পূর্বাহ্ন /
<strong>আলীকদম শিক্ষা অফিসের ইউডিএ’র বিরুদ্ধে উচ্চ পর্যায়ের তদন্ত অনুষ্ঠিত</strong>

এপিসি ডেস্ক:

প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তরের তদন্ত ও শৃঙ্খলা শাখার নির্দেশে আলীকদম শিক্ষা অফিসের ইউডিএ মোহাম্মদ নাছিরের উদ্দিনের বিরুদ্ধে তদন্ত অনুষ্ঠিত হয়েছে। গত শনিবার (৪ মার্চ) প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়ের তদন্তকারী কর্মকর্তা ও শিক্ষা অফিসার (প্রকিউরমেন্ট) মোঃ শাহীন মিয়া এ তদন্ত করেন।

তদন্ত অনুষ্ঠানের বিজ্ঞপ্তিতে উল্লেখ্য যে, প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়ের স্মারক নম্বর অভিঃতদন্ত-০৯ ১৫ ফেব্রুয়ারি ২০২৩ এর পত্র মোতাবেক এ তদন্ত অনুষ্ঠিত হয়।

এতে বলা হয়, বান্দরবান পার্বত্য জেলাধীন ‘আলীকদম উপজেলা শিক্ষা অফিসের উচ্চমান সহকারি কাম হিসাব রক্ষক (ইউডিএ) মোহাম্মদ নাছির উদ্দীন’একযুগেরও বেশী সময় একই কর্মস্থলে কর্মরত থাকায় ক্ষমতার অপব্যবহার, লাগামহীন দুর্নীতি-অনিয়ম, শিক্ষকদের আর্থিক হয়রানী, অশুভ আচরণ, তুচ্ছ-তাচ্ছিল্য, হুমকী-ধমকী অব্যাহত রাখার বিষয়ে ৫৭ জন প্রধান ও সহকারি শিক্ষক অভিযোগ আনয়ন করেন।

তদন্ত অনুষ্ঠানে উপস্থিত প্রধান শিক্ষক জিয়াউল হক জানান, আমাদের অভিযোগের পর ইতোমধ্যে অভিযুক্ত ইউডিএ নাছির কে রুমা উপজেলায় “প্রশাসনিক কারণ” দেখিয়ে বদলী করেছেন কতৃপক্ষ। অধিদপ্তরের তদন্তে আমরা উপস্থিত হয়ে মৌখিক ও লিখিত সাক্ষ্য উপস্থাপন করেছি।

তিনি জানান, ইতোপূর্বে অভিযুক্ত নাছির শিক্ষকদের কাছ থেকে নেওয়া ৩ লক্ষ ৬০ হাজার ঘুষের টাকা ফেরত দিতে সম্মত হয়েছেন।

ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক নিক্সন পাল জানান, দীর্ঘ একযুগের বেশী একই কর্মস্থলে থাকায় অভিযুক্ত ইউডিএ নাছির ধরাকে শরাজ্ঞান করেছে।

তার আচরণে ৫৭জন প্রধান ও সহকারি শিক্ষক তার বিরুদ্ধে গত ১৩ নভেম্বর ১৫টি অনুচ্ছেদে নানান অনিয়ম-দুর্নীতির অভিযোগ আনয়ন করেন। তারমধ্যে ক্ষমতার অপব্যবহার করে সুকৌশলে তার স্ত্রী, বোন, ভাইসহ একাধিক ব্যক্তিকে সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের চাকুরীতে যোগদান করানোর অভিযোগও উঠেছে।

তদন্তকারী কর্মকর্তা মোঃ শাহীন মিয়া বলেন, অভিযোগের তদন্ত করা হয়েছে। শীঘ্রই প্রতিবেদন উর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের কাছে জমা হবে। পরবর্তীতে বিধি মোতাবেক ব্যবস্থা গ্রহণ করবে কর্তৃপক্ষ।