আলীকদম উপজেলা নির্বাচনের চেয়ারম্যান প্রার্থী জামাল উদ্দিনের ‘নির্বাচনী ইশতিহার’ প্রকাশ


Momtaj Uddin Ahamad প্রকাশের সময় : এপ্রিল ৩০, ২০২৪, ৬:০৪ অপরাহ্ন /
আলীকদম উপজেলা নির্বাচনের চেয়ারম্যান প্রার্থী জামাল উদ্দিনের ‘নির্বাচনী ইশতিহার’ প্রকাশ

প্রেসক্লাব ডেস্ক:

বান্দরবান পার্বত্য জেলার আলীকদম উপজেলায় আগামী ৮ মে (বুধবার) ৬ষ্ঠ উপজেলা পরিষদের নির্বাচন অনুষ্ঠিত হচ্ছে। এ নির্বাচনে ‘চেয়ারম্যান’ পদে ২ জন, ভাইস চেয়ারম্যান (পুরুষ) ২ জন ও ভাইস চেয়ারম্যান (মহিলা) পদে ২ জন প্রার্থী প্রতিদ্বন্ধিতা করছেন।

এবারের নির্বাচনে চেয়ারম্যান এবং ভাইস চেয়ারম্যান (পুরুষ ও মহিলা) পদে ৬ জন প্রার্থী থাকলেও এ পর্যন্ত একজনমাত্র চেয়ারম্যান প্রার্থীর ‘নির্বাচনী ইশতিহার’ পাওয়া গেছে। অন্যান্য প্রার্থী এবং তাদের নির্বাচন পরিচালকদের সাথে যোগাযোগ করে জানা গেছে, তাঁরা এ পর্যন্ত সুনির্দ্ধিষ্ট নির্বাচনী ইশতিহার তৈরী কিংবা প্রচার করেন নি।

এ ব্যাপারে স্থানীয় শিক্ষিত-সচেতন নাগরিকদের মাঝে ক্ষোভ ও মিশ্র প্রতিক্রিয়া দেখা গেছে। আলীকদমের স্থানীয় বাসিন্দা ও ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক শিক্ষার্থী রেজাউল করিম (রেজা শিশির) তাঁর ফেসবুক পোস্টে আক্ষেপ প্রকাশ করে জানান, ‘আসন্ন উপজেলা নির্বাচনে পদপ্রার্থীদের ‘নির্বাচনী ইশতেহার’ থাকা দরকার। তারা নির্বাচিত হলে কি করতে চায় তার সুস্পষ্ট ঘোষণা থাকতে হবে। আপনি কেন নির্বাচিত হতে চান? নির্বাচিত হলে আপনি কী করবেন? উপজেলাকে ঘিরে আপনার স্বপ্ন বা লক্ষ্য কি?  কেন জনগণ আপনাকে ভোট দিবে? জানতে চাই- পরিকল্পনাহীন, লক্ষ্যহীন, কোন উপজেলা চেয়ারম্যান চাই না। বক্তব্যে গালভরা প্রতিশ্রুতি দিলাম আর নির্বাচিত হলাম, নেতাগিরি করলাম এসব হানিমুন চলবে না’।

তবে, মঙ্গলবার সন্ধ্যায় ‘দোয়াত-কলম’ প্রতীকের চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী জামাল উদ্দিন ‘নির্বাচন ইশতিহার’ প্রকাশ করেছেন। তাঁর ‘নির্বাচনী ইশতিহার’ বিশ্লেষণে দেখা যায়, তিনি পাহাড়ি উপজেলা আলীকদমের শিক্ষা, চিকিৎসা, পর্যটন, বিশুদ্ধ পানীয় জল, বেকার যুবকদের কর্মসংস্থানকে সর্বাগ্রে গুরুত্ব দিবেন বলে জানিয়েছেন।

২০২৫ খ্রিস্টাব্দের মধ্যে ‘আলীকদম কলেজ’ এর একাডেমিক কার্যক্রম শুরু করার জন্য তিনি জোরালোভাবে ইশতিহারে তুলে ধরেছেন। এছাড়াও আলীকদমকে পৌরসভায় উন্নীত করা, আদালত কার্যক্রম পুনঃচালুর ব্যবস্থাকরণ, নতুন ইউনিয়ন গঠন, কৃষি ও সেচ ব্যবস্থার উন্নয়ন প্রভৃতিকে ইশতিহারে সবিস্তারে বর্ণনা দিয়েছেন।

১৯টি অনুচ্ছেদে তিনি যে কর্মপরিকল্পনা বাস্তবায়নের ঘোষণা দিয়েছেন সে সব ধারাবাহিকভাবে করা হলে আলীকদমের আমূল পরিবর্তন সাধন হবে বলে জানা গেছে।

‘দোয়াত-কলম’ প্রতীকে চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী জামাল উদ্দিন কর্তৃক প্রচারিত ‘নির্বাচনী ইশতিহার’টি হুবহু তুলে ধরা হলো।

“প্রিয় আলীকদমবাসী,

আসসালামু আলাইকুম/আদাব/নমস্কার।

আমি জামাল উদ্দিন আপনাদেরই সন্তান। আমার রাজনৈতিক আদর্শ আওয়ামী লীগ হলেও আমি দলমতের উর্ধ্বে উঠে আলীকদম উপজেলাবাসীর সার্বিক উন্নয়ন সাধনের লক্ষ্যে দীর্ঘদিন ধরে প্রচেষ্টা অব্যাহত রেখেছি। ইতোপূর্বে দুই মেয়াদে ১নং আলীকদম ইউনিয়ন পরিষদে আমি নির্বাচিত চেয়ারম্যানের গুরুদায়িত্ব পালন করি।

৮ মে ২০২৪ খ্রিঃ তারিখে আলীকদম উপজেলায় অনুষ্ঠিতব্য ৬ষ্ঠ উপজেলা পরিষদ নির্বাচনে আমি “দোয়াত-কলম” প্রতীক নিয়ে চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী হয়েছি। বাংলাদেশের দক্ষিণ-পূর্বকোণে অবস্থিত সীমান্তবর্তী সম্ভাবনাময় আমাদের এই গিরিনন্দিনী আলীকদম উপজেলা একটি উল্লেখযোগ্য ঐতিহাসিক জনপদ।

আপনারা জানেন, বিগত বছরগুলোতে বান্দরবান জেলার অন্যসব উপজেলায় যোগ্য নেতৃত্ব থাকায় ব্যাপক উন্নয়ন কর্মকান্ড হয়েছে। দুঃখজনক হলেও সত্য যে, আলীকদম উপজেলা পরিষদে যোগ্য নেতৃত্বের অভাবে বিগত ১৫ বছর ধরে কাক্সিক্ষত উন্নয়ন হয়নি। বিগত ১৫ বছর সদাশয় সরকারের প্রদত্ত খাতওয়ারী কোটি কোটি টাকার বরাদ্দসমূহ বর্তমান উপজেলা চেয়ারম্যান নামে-বেনামে প্রকল্প দিয়ে লুঠপাট করেছেন। ফলে কোথাও আলীকদম উপজেলা পরিষদের দৃশ্যমান কোন প্রকল্পে জনগণ সুফল পায়নি। আলীকদমে উচ্চশিক্ষা প্রতিষ্ঠান নির্মাণে উপজেলা পরিষদের কোনোপ্রকার উদ্যোগ ছিলো না। সম্প্রতি ‘আলীকদম কলেজ’ প্রতিষ্ঠায় উদ্যোগ নিলে উপজেলা চেয়ারম্যানের ইন্ধনে আমাদের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করা হয়।

এমতাবস্থায়, প্রিয় আলীকদমবাসীর শিক্ষা, চিকিৎসাসহ মৌলিক চাহিদাসমূহ পূরণের জন্য দলমত নির্বিশেষে এক হয়ে ‘দোয়াত-কলম’ প্রতীকে ভোট দিয়ে আমাকে জয়যুক্ত করলে আমি নিরলসভাবে আপনাদের সেবা করে যাবো; ইন্শাআল্লাহ।

সম্মানীত এলাকাবাসী,

উন্নয়ন-অগ্রগতির মহাসড়কে আলীকদমবাসীর ভাগ্যের চাকার গতি বাড়ানোর এক সুবর্ণ সুযোগ এবারের উপজেলা পরিষদ নির্বাচন। আমি আপনাদের সন্তান; এ উপজেলায় জনপ্রতিনিধিদের মাঝে সর্বোচ্চ শিক্ষাগত যোগ্যতাসম্পন্ন ‘এম.এ’ ডিগ্রিধারী একজন ব্যক্তি। আমাকে ভোট দিয়ে আপনারা কখনোই বিফল হবেন না। আমি সবসময় আপনাদের সাথে তথা আলীকদম উপজলোর সার্বিক উন্নয়ন-অগ্রযাত্রার সারথী হয়ে পাশে আছি এবং থাকবো; ইন্শাআল্লাহ।

আমাকে আপনারা নির্বাচিত করলে, আপনাদের সেবক হয়ে সরকারের সংশ্লিষ্ট কর্র্তৃপক্ষের সাথে সার্বক্ষণিক যোগাযোগ রেখে আলীকদমবাসীর জন্য অগ্রাধিকার ভিত্তিতে যেসব উন্নয়ন পরিকল্পনা হাতে নেবো তার কিছু সংক্ষিপ্তসার উপস্থাপন করছি-

১. ইতোমধ্যে আমরা “আলীকদম কলেজ” এর জন্য ৮ একর ৮৪ শতক ১ম ও ৩য় শ্রেণির জমির দানপত্র দলিল হাতে পেয়েছি। আমি উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান নির্বাচিত হতে পারি কিংবা না পারি আগামী ২০২৫ শিক্ষাবর্ষের মধ্যে ‘আলীকদম কলেজ’ এর একাডেমিক কার্যক্রম শুরু করার চেষ্টা চালিয়ে যাবো ইনশাআল্লাহ।

২. আলীকদম বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়কে মানোন্নীত করে ‘আলীকদম বালিকা স্কুল এন্ড কলেজ’, আলীকদম ইসলামিয়া দাখিল মাদরাসাকে উন্নীত করে ‘আলীকদম ইসলামিয়া আলিম মাদরাসা’ প্রতিষ্ঠা, ‘ভরিরমুখ মাতামুহুরী মাধ্যমিক বিদ্যালয়’কে কলেজে উন্নীতকরণ,  আলীকদমে কারিগরি স্কুল এন্ড কলেজ স্থাপন-সহ সরকারি উচ্চ বিদ্যালয়ে শিক্ষক সংকট নিরসন এবং কুরুকপাতা মাধ্যমিক স্কুল কার্যক্রম আগামী ২০২৫ খিস্টাব্দ থেকে ক্রমান্বয়ে চালু করতে সচেষ্ট হবো; ইন্শাআল্লাহ। এছাড়াও এ উপজেলার বেসরকারি সকল মাধ্যমিক শিক্ষা প্রতিষ্ঠান (স্কুল/মাদরাসা) গুলোকে ‘পাঠদান স্বীকৃতি ও এমপিওভূক্তি’র আওতায় আনার যথাযথ ব্যবস্থা গ্রহণ করবো।

৩.  আলীকদম উপজেলার পর্যটন সম্ভাবনাকে কাজে লাগিয়ে পর্যটন শিল্পকে সাজিয়ে তোলার জন্য উন্নয়ন প্রকল্প গ্রহণ, বাস্তবায়ন ও পর্যটকবান্ধব পরিবেশ সৃষ্টি করবো। এরফলে পর্যটনকেন্দ্রিক ব্যবসা-বাণিজ্যের প্রসার হবে।

৪. আলীকদম উপজেলার সকল প্রাথমিক বিদ্যালয়গুলোর শ্রেণিকক্ষ সংকট নিরসনে অবকাঠামোগত উন্নয়ন, স্যানিটেশন ব্যবস্থা ও বিশুদ্ধ পানীয় জলের ব্যবস্থা নিশ্চিতকরণে উপজেলা পরিষদের বার্ষিক বরাদ্দ থেকে উন্নয়ন প্রকল্প গ্রহণ করবো।

৫. আলীকদম উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে কোটা অনুযায়ী ডাক্তার নিয়োগের জন্য আমি সরকারের সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়ের সাথে যোগাযোগ রক্ষা করে আলীকদমবাসীর স্বাস্থ্যসেবা নিশ্চিতকরণে প্রয়াস অব্যাহত রাখবো।

৬. ‘আলীকদম পৌরসভা’ ঘোষণার প্রচেষ্টা অব্যাহত রাখা এবং লামা-আলীকদম-নাইক্ষংছড়ি ও থানচিবাসীর প্রাণের দাবীকে হৃদয়ে ধারণ করে অনতিবিলম্বে ‘আলীকদম জেলা’ ঘোষণার দাবী জোরালোভাবে সরকারের সংশ্লিষ্ট মহলে তুলে ধরা হবে।

৭. আলীকদম উপজেলায় পুনরায় “চীফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালত” কার্যক্রম শুরুর জন্য সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়ের সাথে যোগাযোগ সাধন করে একটি কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণ করা হবে।

৮. আলীকদম উপজেলার সকল প্রান্তে বিশুদ্ধ পানীয় জলের সংকট নিরসন, সেচ ব্যবস্থা জোরদারকরণ ও কৃষিবান্ধব উপজেলা সৃষ্টি’র প্রয়াসকে গুরুত্ব দেয়া হবে। আমিষের চাহিদা পূরণে মৎস্য চাষের পরিসর বৃদ্ধিতে জলাধার নির্মাণ ও নিত্য ব্যবহার্য পানির সংকট নিরসনে ছোট-বড় পাহাড়ি ঝিরি বাঁধ প্রকল্প গ্রহণ করবো।

৯. স্থানীয় সরকার মন্ত্রণালয়ের সাথে যোগাযোগ অব্যাহত রেখে আলীকদম উপজেলার দুর্গম জনপদ দোছরী ও চাইম্প্রা মৌজা সমন্বয়ে ‘চাইম্প্রা ইউনিয়ন’ নামে আলাদা ইউনিয়ন সৃষ্টির উদ্যোগ নেওয়া হবে।

১০.  শিক্ষা-সংস্কৃতি চর্চা বাড়ানোর লক্ষ্যে ‘আলীকদম গণপাঠাগার’, পুনঃচালুকরণসহ সব প্রতিষ্ঠান সমৃদ্ধ পাঠাগার স্থাপন ও সাংস্কৃতিক প্রতিষ্ঠানগুলোকে আরো কার্যকর করে গড়ে তোলা হবে।

১১. পরস্পরিক সম্মান-শ্রদ্ধাবোধ প্রতিষ্ঠায় হেডম্যান, কার্বারী ও সর্দারদের সমন্বয়ে ‘উপজেলা উন্নয়ন ফোরাম ও সামাজিক শৃঙ্খলা কমিটি’ গঠন করা হবে। মামলা-মোকাদ্দমার জট কমাতে গ্রাম আদালত এবং গ্রামীণ শালিস ব্যবস্থাকে আধুনিকায়ন করা হবে।

১২. সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি রক্ষা’র পাশাপাশি সকল ধর্মের ধর্মীয় প্রতিষ্ঠানগুলোর অবকাঠামোগত উন্নয়ন করা হবে। ধর্মীয় প্রতিষ্ঠানে সোলার প্যানেল স্থাপনসহ গ্রামীণ সড়কসমূহে সোলার প্যানেলের স্ট্রিট লাইট স্থাপনের করা হবে।

১৩. আলীকদমে কারিগরি শিক্ষাব্যবস্থা চালুর পাশাপাশি এনজিওগুলোতে বিধি-বিধান মেনে স্থানীয় শিক্ষিত বেকার যুবকদের অগ্রাধিকার ভিত্তিতে চাকুরী প্রদানের কর্মোদ্যোগ গ্রহণ করা হবে।

১৪. আলীকদমে উৎপাদিত ফসল সংরক্ষণের জন্য একটি কোল্ড-স্টোরেজ তৈরী’র উদ্যোগ নেওয়া হবে।

১৫. বয়স্ক, মাতৃত্ব, বিধবা ভাতা, ভিজিডি, ভিজিএফ কার্ড বিতরণে বৈষম্য অপনোদন, শ্রমিকদের ন্যায্যপ্রাপ্তি নিশ্চিত করা হবে।

১৬.  আলীকদম অডিটোরিয়াম, আলীকদম মডেল মসজিদ ও আলীকদম মিনি স্টেডিয়াম নির্মাণ কাজ ত্বরান্বিত করা হবে।

১৭. পানবাজার, দোছরী বাজার, কুরুকপাতা বাজার ও পোয়ামুহুরী বাজারকে বাজার ফান্ডের আওতায় এনে বাজারের সার্বিক উন্নয়নে কর্মোদ্যোগ গ্রহণ করবো।

১৮. মাদকমুক্ত সমাজ প্রতিষ্ঠায় সামাজিক পরিমন্ডলে নৈতিকতা পুনরুদ্ধার, নারী নির্যাতন প্রতিরোধ, যৌতুক মুক্ত পরিবেশ সৃষ্টিসহ সরকারি পরিসেবাসমূহ নিশ্চিতকরণ, ইউনিয়নভিত্তিক সমানুপাতিক উন্নয়ন ও জনবান্ধব প্রয়াস অব্যাহত রাখা হবে।

১৯. আলীকদম উপজেলার বিভিন্ন মৌজায় পুঁজিবাদী ও রাঘববোয়ালদের অবৈধ দখলে থাকা ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠীর জমিসমূহ উদ্ধারে পদক্ষেপ নেওয়া হবে। মৌজা হেডম্যানদের সাথে নিয়ে ভূমিহীন জনগোষ্ঠী ও স্বেচ্ছাসেবী প্রতিষ্ঠানের অনুকূলে খাস জমি বিলি-বন্টনের ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

প্রিয় আলীকদমবাসী,

আপনাদের সবার প্রতি আবারো বিনয়ের সাথে দাবী জানাচ্ছি, আগামী ৮ মে ২০২৪ তারিখে অনুষ্ঠিতব্য ৬ষ্ঠ উপজেলা পরিষদ নির্বাচনে উন্নয়নের প্রতীক “দোয়াত-কলম” মার্কায় আপনাদের সন্তান হিসেবে আমি জামাল উদ্দিনকে ভোট দিয়ে অবহেলিত আলীকদম উপজেলার উন্নয়নে এগিয়ে আসবেন।

মনে রাখবেন, ‘দোয়াত-কলম’ এর জয় হবে আপনাদেরই জয়, উন্নয়নের জয়। সকলের সুস্বাস্থ্য, সুন্দর ও দীর্ঘজীবন কামনা করে শেষ করছি। পরিশেষে আমার ওপর এবং আপনাদের ওপর আল্লাহর রহমত কামনা করছি।

আসসালামু আলাইকুম/আদাব/নমস্কার।

আপনাদের নিত্যশুভার্থী

জামাল উদ্দিন

চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী

(দোয়াত-কলম)

৬ষ্ঠ উপজেলা পরিষদ নির্বাচন-২০২৪

আলীকদম,বান্দরবান।

তারিখ: এপ্রিল ২০২৪ খ্রিঃ

জামাল চেয়ারম্যানের নির্বাচনী ইশতিহার