আলীকদমে উপহারের ৭টি ঘর পেলো ভূমিহীনরা : প্রেস ব্রিফিংয়ে ইউএনও


Momtaj Uddin Ahamad প্রকাশের সময় : মার্চ ২০, ২০২৩, ১১:৩৮ পূর্বাহ্ন /
আলীকদমে উপহারের ৭টি ঘর পেলো ভূমিহীনরা : প্রেস ব্রিফিংয়ে ইউএনও

এপিসি ডেস্ক:

 ‘আমার মাথা গোঁজার ঠাই ছিল না, প্রধানমন্ত্রীর কৃপায় আমি ঘর পেয়েছি। আমাকে যারা ঘর দিলো তাদের জন্য প্রার্থনা করছি।’ আধো বাংলা উচ্চারণে এমন উচ্ছ্বাসের সাথে কথাগুলো বলছিলেন আলীকদম উপজেলার চৈক্ষ্যং ইউনিয়নের ১নম্বর ওয়ার্ডের শিবাতলী মার্মার পাড়ার বাসিন্দা ফোঅং মার্মা। উপহারের ঘর পেয়ে একই অনুভূতি ব্যক্ত করেছেন রেফারপাড়ি বাজার পাড়ার বাসিন্দা সিদুল ধর।

সোমবার (২০ মার্চ) বিকেলে উপজেলা পরিষদ হলরূমে আয়োজিত প্রেসি ব্রিফিং-এ আলীকদম উপজেলা নির্বাহী অফিসার জাবের মোঃ সোয়াইব জানান, পাহাড়ি জেলা বান্দরবানের আলীকদমে মুজিববর্ষ উপলক্ষে চতুর্থ পর্যায়ে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা আশ্রয়ণ প্রকল্প-২ এর আওতায় ৭টি ঘর বরাদ্দ দেওয়া হয়। এরমধ্যে ১টি ঘর পাহাড়ি ডিজাইনে তৈরী। বাসিন্দারা ইতোমধ্যে সেখানে বসবাস করছেন।

প্রেস বিফিংয়ে অন্যান্যদের মাঝে উপস্থিত ছিলেন সহকারি প্রোগ্রামার কর্মকর্তা রুমন পাল, উপজেলা শিক্ষা অফিসার আশীষ কুমার ধর, উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা সুভ্রাত দাশ ও উপজেলা কানুনগো ম্রাগ্য মার্মা প্রমূখ।

প্রেস ব্রিফিংয়ে ইউএনও জানান, ১ম পর্যায় থেকে শুরু করে ৪র্থ পর্যায় পর্যন্ত আলীকদম উপজেলায় প্রধানমন্ত্রীর উপহারের ৩০২টি ঘর পেয়েছেন ভূমিহীন প্রান্তিক পরিবারগুলো। এরমধ্যে ১ম পর্যায়ে ৫০টি, ২য় পর্যায়ে ২৪০টি, ৩য় পর্যায়ে ০৫টি, ৪র্থ পর্যায়ে ০৭টি সহ মোট ৩০২টি ঘর প্রদান করা হয়েছে। আগামী বুধবার (২২ মার্চ) প্রধানমন্ত্রী কর্তৃক আশ্রায়ণের ঘরগুলি ভিডিও কনফারেন্সের মাধ্যমে উদ্বোধন করা হবে।

সোমবার বিকেলে জানতে চাইলে চৈক্ষ্যং ইউনিয়ন পরিষদের ১নম্বর ওয়ার্ডের সদস্য মোঃ শফিউল আলম বাদশা জানান, আমাদের ইউনিয়নে ৭টি ঘরের মধ্যে আমার ওয়ার্ডে ২টি ঘর বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে। এরমধ্যে একটি পাহাড়ি ডিজাইনের, অন্যটি সেমিপাকা। যারা ঘর পেয়েছেন তারা এতদিন নিতান্ত অসহায় ছিলেন। প্রধানমন্ত্রীর উপহারের ঘর পেয়ে তারা খুবই খুশী। তিনি জানান, এ ইউনিয়নের অন্যান্য ঘরগুলিও ইতোমধ্যে প্রদান করা হয়েছে।

উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা জাবের মোঃ সোয়াইব বলেন, প্রধানমন্ত্রীর বিশেষ আশ্রয়ণ-২, প্রকল্পের আওতায় ঘরগুলি তৈরী করা হয়। এ উপজেলায় একটি শক্তিশালী কমিটির মাধ্যমে সার্বক্ষণিক মনিটরিং করে গুণগত মান বজায় রেখেই ঘরগুলি নির্মিত হয়েছে।